ভোলার বিসিক শিল্প নগরী মাদকসেবী আর গরু ছাগলের বিচরন ভূমি

DipKantha
DipKantha
প্রকাশিত: ৫:২৪ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ৬, ২০২০

২৮ বছরেও আলোর মুখ দেখেনি ভোলার ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প নগরী (বিসিক)। গড়ে উঠেনি উল্লেখ্যযোগ্য শিল্প প্রতিষ্টান, কলকারখানা। অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও অব্যবস্থাপনার অভাবে মুখ থুবড়ে পড়েছে সরকারী এই প্রতিষ্ঠান। দিনের বেলায় গরু ছাগলের বিরান ভূমি আর রাতের আধারে  মাদক সেবনকারী ও্র বিক্রয়কারীদের দখলে। অন্য দিকে প্লট, দখল, রাস্তাঘাট, গ্যাস সংযোগ স্থাপন, ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাব ও বহিরাগতদের নগ্ন হস্তক্ষেপে আস্থা হারাচ্ছে শিল্প উদোক্তারা। বিসিক কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা, স্বেচ্ছাচারিতা আর অনিয়মকে দুষছেন উদ্যোক্তারা। ফলে অপার সম্ভাবনার বিসিক হারাতে বসেছে তার সম্ভাবনার দ্বার। রাতের বেলায় সাধারন মানুষ মাদক সেবীদের ভয়ে বিসিকে প্রবেশ করতে ভয় পায়। ভোলার অর্থনেতিক উন্নয়ন ও শিল্পায়নের লক্ষ্যে ভোলা শহরের খেয়াঘাট সড়কের চৌমহনী এলাকায় ১৯৯২ সালে ১৪ দশমিক ৪৫ একর জমিতে গড়ে তোলেন। ৯৩টি শিল্প প্লটের মধ্যে ৭১ টি শিল্প প্লট  বরাদ্ধ হলেও গড়ে উঠেছে মাত্র ৯টি শিল্প প্রতিষ্টান। যার মধ্যে চালু আছে ৫ টি শিল্প প্রতিষ্টান। উদ্যোক্তারা বলেন অব্যবস্থাপনা ও অসহযোগীতার কারনে শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে সাহস পাচ্ছেন না উদ্যোক্তারা। দীর্ঘদিন অব্যবস্থাপনার সুযোগে কিছু সুবিধা ভোগী পশুর চারন ভূমি বানিয়ে ফেলেছে বিসিক শিল্প নগরীকে। স্থানীয় বালি ও পাথরের ব্যবসায়ীরা তাদের মালামাল পরিবহনের জন্য ট্রাক, ট্রলি ব্যবহার করার কারনে রাস্তা খানা খন্দে ভরে গেছে। গরু ও ছাগলের বিষ্টার গন্ধে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। নেই কোন সীমানা প্রাচীর। শিল্প উদ্যোক্তারা বলেন আমরা প্রতি বছর সার্ভিস চার্জ দিলেও নূন্যতম সার্ভিস আমাদের কে দেয়না বিসিক কর্তৃপক্ষ। শিল্পনগরীতে বিদুৎ ব্যবস্থা না থাকার কারনে রাতের বেলায় অন্ধাকারচ্ছন হয়ে পড়ে পুরো বিসিক। এই ‍অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে মাদকসেবন কারীরা সেখানে গড়ে তোলে মাদকের আড্ডা। মাদক সেবনকারীদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করে না। বিসিকের উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ সোহাগ বলেন, আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। অচিরেই বিসিক শিল্প নগরীর সমস্যা সমাধান হবে। ভোলা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম সিদ্দিক বলেন- ইতিমধ্যেই আমরা সকল ধরনের সমস্যা নিরসনের জন্য ব্যবস্থা নিয়েছি। আশা করছি  এ বছরেই সকল সমস্যার সমাধান হবে।