ভোলা সরকারি মহিলা কলেজের এইচএসসি বাংলা পরীক্ষা নিয়ে বিভ্রান্তির অবসান

DipKantha
DipKantha
প্রকাশিত: ৪:৪৫ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৩, ২০২৬

ভোলা প্রতিনিধি//

ভোলা সরকারি মহিলা কলেজের এইচএসসি বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষায় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের বিব্রত না হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন পরীক্ষা কমিটি। ঠিকানা ভুলের কারণে ওএমআর সীট বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরিবর্তে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পাঠানো হয়েছিল। যা তারপর দিনই বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পৌঁছানো হয়েছে।

আজ ১৩ জুলাই সোমবার এ বিষয়ে স্পষ্ট করেছেন কলেজ কর্তৃপক্ষ।

কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ মহিউদ্দিন জানান, ভোলা সরকারি মহিলা কলেজে এইচএসসি-২০২৬ সালের পরীক্ষা কেন্দ্র। যার কোড নাম্বার ৬০২। গত ০২/০৭/২৬ তারিখে এইচ এস সি পরীক্ষার বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ সকল পরীক্ষার সকল পেপার ও উত্তরপত্র যথারীতি পোস্ট অফিসের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা শিক্ষা বোর্ড বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাঠানো হয়। এই কেন্দ্রের ৭শ ৯৭ শিক্ষার্থীর সকল কাগজপত্র বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাঠানো হলেও খামের উপরের ঠিকানা ভুলের কারণে ওএমআর শীট বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে না পাঠিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পাঠানো হয়। যা তারপর দিনই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানানো হলে দু’দিনের মধ্যেই ওএমআর শীট জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এনে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে জমা দেয়া হয়। ইতিমধ্যে এ নিয়ে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফলাফল নিয়ে নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবি ওএমআর শীট বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পৌঁছানোর মাধ্যমিক পরীক্ষার সকল নিয়ম পালন করা হয়েছে। পরীক্ষা কমিটির অনিচ্ছাকৃত এই ভুলের কারণে বরিশাল শিক্ষা বোর্ড ইতিমধ্যে পূর্বের পরীক্ষা কমিটি বাতিল করে নতুন পরীক্ষা কমিটি গঠন করেছেন। যা নিয়ে আর কোন ধরনের বিভ্রান্তি নেই।

 

পরীক্ষা কমিটির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল আউয়াল মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ বলেন, বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো দুঃখজনক। আমাদের অনিচ্ছাকৃত ঠিকানা ভুলের কারণে ওএমআর শীট জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় চলে গেছে। পরবর্তীতে আমরা তার সংশোধন করে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে দিয়েছি। এ নিয়ে আর কোন সমস্যা নেই। একই দিন মাস্টার্স প্রিলিমিনারি পরীক্ষা থাকায় এই খাতার সাথে ভুলক্রমে এসএসসি’র ওএমআর শিট প্যাকেটের উপর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিল দেয়া হয়েছিল। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সহকারি অধ্যাপক মাসুম বিল্লাহ, ইখতিয়ার উদ্দিন, প্রভাষক মাহবুবুর রহমান ও সাঈদ হোসেন।